সর্বশেষ

6/recent/ticker-posts

Header Ads Widget

আদার উপকারিতা কী কী?

আদা উপকারিতা বলে শেষ করা যাবে না।শুধু আদা নয়,আমাদের ব্যবহৃত প্রতিটা মশলা আমাদের শরীরের সুস্থতার জন্য দারুণ কার্যকারি।

রসুনের মতো আদাকে বলা হয় ন্যাচারাল ব্লাড থিনার।এতে উপস্থিত এক যৌগ জিনজিরাল রক্তনালীকে রিল্যাক্স রাখে।রক্ত প্রবাহ বাড়িয়ে দেয়।রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে,এটি প্লেটলেট এগ্রিগেশন কমিয়ে রক্ত কে তরল রাখে।

দি জার্নাল অফ নিউট্রিশন- এর জার্নালে গবেষণায় দেখা গেছে দৈনিক নিয়মিত আদা খেলে কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে।

আদা ও শুঁঠে, প্রোটিন, ফ্যাট,ফাইবার, ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, আয়রন, ভিটামিন-সি,সামান্য এসেনশিয়াল অয়েল প্রভৃতি বিদ্যমান।

আদা ও শুকনো আদা(শুঁট) মশলা হিসাবে বিশ্বব্যাপী কদর।রান্নায় আদা দু'ভাবে ব্যবহার করা যায় ।কাঁচা আদা এবং শুকনো আদা।শুকনো আদা কে বলা হয় শুঁঠ। আদা ও শুঁঠের গুণপনা—

আধকপালি বা মাইগ্রেনের সমস্যায় আদার রস বিশেষ কার্যকরী।কপালে শুঁঠচূর্ণের লেপন দিলেও মাইগ্রেনের ব্যথা কমে।এছাড়া খাদ্য হজম না হলে সেখান থেকেও পেট ব্যথা হয়।তাই খাদ্য হজমের আদা কার্যকরী।

তাছাড়া গলা ব্যথায় আদা,পাতিলেবু,লবণ মিশিয়ে পান করলে গলা ব্যথা কমে যায় ।অর্জীর্ণ,অতিসার, আমবাত,আমাশা,ইনফ্লুয়েঞ্জা, উদররোগ,শীতপিত্ত,কফরোগ,দন্তরোগ দাহ,নাসারোগ, ফুসফুসের রোগ,মাসিক, ঋতুস্রাবের স্বল্পতা,বাধকদোষ,প্রভৃতি ক্ষেত্রে আদা দারুণ কার্যকারি।এছাড়া আদা ত্বকের সৌন্দর্য রক্ষা করে।প্রতিদিন এক কুঁচি আদা খেলে অনেক বছর পর্যন্ত যৌবন ধরে রাখতে সাহায্য করে।

 

Post a Comment

0 Comments