যদি বেশী দিন বেঁচে থাকতে চান আর ফিট থাকতে চান তাহলে আপনার ওজন কম রাখতে হবে, শরীরের কোন স্থানেই যেন বাড়তি মেদ জমা না হয় সেদিকে সতর্ক দৃষ্টি রাখতে হবে। আর এটা নিশ্চিত করতে চাইলে আপনাকে কার্বোহাইড্রেট আর তেল জাতীয় খাবারের পরিমাণ কমাতে হবে। এ বিষয়ে গত নয় বছর ধরে আমি যে ভাবে খাবার খাই তার তালিকা দিতে পারিঃ
ঘুম থেকে উঠে আগের রাতে ভিজিয়ে রাখা ৬/৭টা কাঠ বাদাম, এক গ্লাস পানি আর দুই চা চামচ মধু। নাস্তায় হাতে গড়া দু’টো ছোট আকারের রুটি, অল্প সবজি, একটি সিদ্ধ ডিম আর আধা চামচ চিনি দেয়া এক কাপ দুধ চা। বেলা এগারটার দিকে ৫/৬ পিস করে কিশমিশ, কাজু বাদাম, পেস্তাবাদাম, চিনাবাদাম আর আখরোট এবং চিনি ছাড়া এক কাপ গ্রীন টী। দুপুরে একটি ছোট আকারের টোস্ট বিস্কিট, ১/২টি খেজুর আর একটি কলা। সন্ধ্যায় সামান্য চিনাবাদাম-চানাচুর দেয়া বা কাঁচামরিচ সরিষার তেল দিয়ে মাখানো মুড়ি কিংবা নুডুলস আর আধা চামচ চিনি দেয়া দুধ চা। রাত সাড়ে আটটার দিকে দুটো রুটি এক টুকরা মাছ বা মাংস, খানিকটা সবজি অথবা ডাল আর দুধ কলা। সকাল থেকে ঘুমানোর আগ পর্যন্ত প্রায় দশ গ্লাস পানি। আর হ্যাঁ সপ্তাহের ২১ বেলা মূল খাবারের মধ্যে ৩ বেলা এক মুঠো (আক্ষরিক অর্থেই এক মুঠো) করে ভাত খাই।
তবে এই রুটিনের খাবার হঠাত করে শুরু করা ঠিক হবে না। বর্তমানে যে খাদ্যাভ্যাস আছে তিন চার মাস সময় নিয়ে ধীরে ধীরে তা কমিয়ে এনে এই খাদ্যাভ্যাসে আসা যেতে পারে।
আমার বয়স ৬০ আর এখনও কোন ঔষধ খেতে হচ্ছে না। ৭০ বছর বয়স পর্যন্ত চাকরিতে থাকার ইচ্ছা রাখি।

0 Comments